মার্শাল আর্টস
পাঁচ বিচারক, পাঁচ শূন্য: ভিয়েতনামের কাতা সোনার ভেতরে যে স্কোরশিটটা কেউ প্রকাশ করেনিহুক: রাত পৌনে তিনটায় পাঁচটা কলাম জাজদের স্কোরবোর্ডটা ফোনের স্ক্রিনে বড় করে...
যে স্বর্ণ কোনো ফেডারেশন দেয়নি: ভিয়েতনামের কাটা চুল, মুশিন আর কোচ-পাইপলাইনের হিসাবআমি লাইভ দেখিনি। ২২ সেপ্টেম্বর, ২০তম এশিয়ান গেমস চলছিল এইচি-নাগোয়ায় — যে...
৫-০, ৫-০, ৫-০ — অথচ ফাইনালের ব্যবধান গড়ে ০.৪২: এশিয়াড ২০-র কাতা সোনায় যে কলামটা খালি রয়ে গেলস্কোরবোর্ডে তিনটি লাইন, একটিই শব্দ — ৫-০, ৫-০, ৫-০। এশিয়াড ২০-এর মহিলা দল...
লেইতাইয়ের ধারে ১৯ আর ২১: ভিয়েতনাম কি চীনের একচেটিয়া ভাঙতে পারে?আমি রিপ্লে দেখতে দেখতে ভিড়ের শব্দ আর গুরুত্বপূর্ণ থাকল না। নাগোয়ার ফ্ল্যাটে...
পাঁচ কার্ডের ৫-০: এশিয়াড কাতায় ভিয়েতনামের সোনা, রাষ্ট্রের খাতা আর স্কোরবোর্ডের বাইরের গল্পটাটামির তিন নম্বর ম্যাটের দিকে ক্যামেরা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে হলটা চুপ করে গেল।...
সিঙ্গাপুরের নারী এপি দলের ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ: রিলের দৃঢ়তা, অ্যাঙ্করের স্নায়ু, আর এশিয়ার এলিট ফাঁকফ্রিজ-ফ্রেমে রেখে দিই ওই মুহূর্তটি। স্কোরবোর্ডে ৪২-৪১, অতিরিক্ত সময়। এলি কো-...
যে ব্রোঞ্জটা আমার ডেস্কের বাইরে গিয়ে পড়েছিল: ইপির চারটে নাম, দশ টাচের দূরত্ব আর একটা না-মেলানো স্কোরলাইনরোস্টার শিটে চারটে নাম। পিস্তে তলোয়ার ধরবে তিনজন। ওসাকার ডেস্কে বসে রাত সাড়...
৪২–৪১ থেকে ৩৫–৪৫: এপে ব্রোঞ্জের ভেতরে লেখা দশ স্পর্শের ফাঁকহলঘরের আলো তখন প্রায় নিভে এসেছে, কিন্তু স্কোরিং মেশিনের সবুজ বাতিটা এখনও...
এপে ব্রোঞ্জের অলিখিত পে-স্লিপ: সিঙ্গাপুর তিন মেডেল পেল, বাজার পেল শূন্যওভারটাইমে ৪২–৪১। স্কোরটা শুনে আমি থামি না, কারণ স্কোরবোর্ড আমার পেশা নয়। আমা...
শেষ ছোঁয়ার হিসাব: সিঙ্গাপুরের প্রথম ইপি দলগত ব্রোঞ্জ এবং কোরিয়ার ৪৫–৩৫ পাঠঢাকার নিউজরুমে রাত সাড়ে তিনটা। ক্রিকেট ডেস্কের মনিটরগুলো অনেক আগেই নিভে গেছে...
৪২–৪১: ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডে সিঙ্গাপুরের প্রথম দলগত ইপে ব্রোঞ্জআইচি স্কাই এক্সপোর ফেন্সিং স্ট্রিপে সন্ধ্যার দিকে সবচেয়ে শান্ত বস্তুটা ছিল...
আইচি-নাগোয়ার সেই প্রায়োরিটি টাচ: সিঙ্গাপুরের এপে ব্রোঞ্জ আর কোরিয়ার মাপকাঠিআইচি স্কাই এক্সপোর স্ট্রিপে স্কোরবোর্ড ৪২–৪১ পড়েছিল। টিম এপের নিয়মে লক্ষ্য ...
যে স্বর্ণ কোনো ফেডারেশন দেয়নি: ভিয়েতনামের কাটা চুল, মুশিন আর কোচ-পাইপলাইনের হিসাবআমি লাইভ দেখিনি। ২২ সেপ্টেম্বর, ২০তম এশিয়ান গেমস চলছিল এইচি-নাগোয়ায় — যে...
৫-০, ৫-০, ৫-০ — অথচ ফাইনালের ব্যবধান গড়ে ০.৪২: এশিয়াড ২০-র কাতা সোনায় যে কলামটা খালি রয়ে গেলস্কোরবোর্ডে তিনটি লাইন, একটিই শব্দ — ৫-০, ৫-০, ৫-০। এশিয়াড ২০-এর মহিলা দল...
লেইতাইয়ের ধারে ১৯ আর ২১: ভিয়েতনাম কি চীনের একচেটিয়া ভাঙতে পারে?আমি রিপ্লে দেখতে দেখতে ভিড়ের শব্দ আর গুরুত্বপূর্ণ থাকল না। নাগোয়ার ফ্ল্যাটে...
পাঁচ কার্ডের ৫-০: এশিয়াড কাতায় ভিয়েতনামের সোনা, রাষ্ট্রের খাতা আর স্কোরবোর্ডের বাইরের গল্পটাটামির তিন নম্বর ম্যাটের দিকে ক্যামেরা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে হলটা চুপ করে গেল।...
সিঙ্গাপুরের নারী এপি দলের ঐতিহাসিক ব্রোঞ্জ: রিলের দৃঢ়তা, অ্যাঙ্করের স্নায়ু, আর এশিয়ার এলিট ফাঁকফ্রিজ-ফ্রেমে রেখে দিই ওই মুহূর্তটি। স্কোরবোর্ডে ৪২-৪১, অতিরিক্ত সময়। এলি কো-...
যে ব্রোঞ্জটা আমার ডেস্কের বাইরে গিয়ে পড়েছিল: ইপির চারটে নাম, দশ টাচের দূরত্ব আর একটা না-মেলানো স্কোরলাইনরোস্টার শিটে চারটে নাম। পিস্তে তলোয়ার ধরবে তিনজন। ওসাকার ডেস্কে বসে রাত সাড়...
৪২–৪১ থেকে ৩৫–৪৫: এপে ব্রোঞ্জের ভেতরে লেখা দশ স্পর্শের ফাঁকহলঘরের আলো তখন প্রায় নিভে এসেছে, কিন্তু স্কোরিং মেশিনের সবুজ বাতিটা এখনও...
এপে ব্রোঞ্জের অলিখিত পে-স্লিপ: সিঙ্গাপুর তিন মেডেল পেল, বাজার পেল শূন্যওভারটাইমে ৪২–৪১। স্কোরটা শুনে আমি থামি না, কারণ স্কোরবোর্ড আমার পেশা নয়। আমা...
শেষ ছোঁয়ার হিসাব: সিঙ্গাপুরের প্রথম ইপি দলগত ব্রোঞ্জ এবং কোরিয়ার ৪৫–৩৫ পাঠঢাকার নিউজরুমে রাত সাড়ে তিনটা। ক্রিকেট ডেস্কের মনিটরগুলো অনেক আগেই নিভে গেছে...
৪২–৪১: ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডে সিঙ্গাপুরের প্রথম দলগত ইপে ব্রোঞ্জআইচি স্কাই এক্সপোর ফেন্সিং স্ট্রিপে সন্ধ্যার দিকে সবচেয়ে শান্ত বস্তুটা ছিল...
আইচি-নাগোয়ার সেই প্রায়োরিটি টাচ: সিঙ্গাপুরের এপে ব্রোঞ্জ আর কোরিয়ার মাপকাঠিআইচি স্কাই এক্সপোর স্ট্রিপে স্কোরবোর্ড ৪২–৪১ পড়েছিল। টিম এপের নিয়মে লক্ষ্য ...
